কর্মসূচী সম্পর্কে

১. প্রকল্পের নাম:

মানবসেবা ডট কম

২. প্রকল্পের ধরণ:

জাতীয় দূর্যোগ পরিস্থিতিতে বিশেষ সহায়তা প্রকল্প

৩. প্রেক্ষাপট

সারাবিশ্ব আজ কভিড ১৯এর ভয়াল সংক্রমণ মানুষের জীবনকে সংকুচিত ও বিপদগ্রস্থ করে তুলেছে। বাংলাদেশে আজ অবধি ৪০০০ জনের সংক্রমণ পাওয়া গেছে এবং ১৫০ জন মৃত্যু বরণ করেছে। কোনোরকম পরীক্ষা এবং চিকিৎসার সুযোগ ছাড়াও মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশের মতো জনবহুল, দরিদ্র এবং দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের দেশে বর্তমান পরিস্থিতি মারাত্মক মানবিক ও সামাজিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। একদিকে লাখো মানুষের ঘরে আগামী দিনের জন্য খাবার মজুদ নেই। বাইরে বের হয়ে কাজ করার সুযোগ নেই। তাদের বেঁচে থাকার জন্য খাবারের চাহিদা পূরণ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। তাই এখনি আমাদের উচিত পরষ্পর পরষ্পরের পাশে দাড়ানো। কারণ আমি চাইলেও একা একা ভাল থাকতে পারবনা। তাই আমাদের একদিকে জরুরী খাদ্য ও ঔষধ সরবরাহ করতে হবে।

৩. প্রকল্পের সারাংশ:

নভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ অবস্থার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ যেমন করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে। তেমনি স্বল্পআয়ের দিনমুজুর ও হতদরিদ্র লোকদের চরম খাদ্যসংকট দেখা দেয়া শুরু করেছে। এই পরিস্থিতি তাদের পাশে থাকতে তাদের জন্য প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া জরুরী।

৪. প্রকল্পের লক্ষ্য:

নভেল করোনা সংক্রান্ত ঝুঁকি ও সমস্যা মোকাবিলা করা।

৫. প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

১. স্বল্প আয়ের লোকদের মাঝে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা উপকরণ বিতরণ করা।

২. হতদরিদ্র লোকদের মাঝে খাদ্য ও খাদ্যপণ্য বিতরণ করা।

৩. হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারদের চিকিৎসা নিরাপত্তায় পিপিই ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা।

৪. ই-ক্যাবের সদস্যদের দরিদ্র আত্মীয় স্বজনের জন্য সাহায্যের হাত বাড়ানো

৫. বিভিন্ন স্বেচ্চাসেবি সংগঠনকে করোনা দূর্যোগ মোকাবিল সংক্রান্ত কাজে সহযোগিতা করা।

৭. বাস্তবায়নের আকাংখিত ফলাফল

১. দিনমুজুরেরা পর্যাপ্ত খাবার পেলে তারা ঘর থেকে বের হবে না। এতে করোনা ঝুঁকি কমবে।

২. দরিদ্র মানুষের খাবার প্রদানের মাধ্যমে এক সামাজিক ও মানবিক বিপর্যয়ের পথ রুদ্ধ হবে।

৩. ডাক্তারদের সুরক্ষা উপকরণ দিয়ে তাদের জীবনের ঝুঁকি কমবে এবং তারা উৎসাহ বোধ করবে।

৬. অন্যান্য নিরাপত্তা উপকরণ পুরো এলাকায় করোনা সংক্রমণ রোধে ভূমিকা রাখবে।